ক্রীড়া ডেস্ক : স্পেনের দ্বিতীয় বিভাগের ম্যাচে তেনেরিফের স্ট্রাইকার জেসুস দে মিগুয়েলের মর্মান্তিক মৃত্যুর পর এফসি আন্দোরার গোলরক্ষক জেসুস ওওনো অবশেষে মুখ খুলেছেন। তিনি জানিয়েছেন, গত কয়েক দিন তার জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময় ছিল।
গত সোমবার ওওনোর সঙ্গে সংঘর্ষের পর কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে আক্রান্ত হন টেনেরিফের ৩০ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড জেসুস দে মিগুয়েল। পরের দিন তার মৃত্যু হয়। ঘটনার পর মাঠ থেকে বহিষ্কৃত হওয়া ওওনো বুধবার (৪ নভেশ্বর) তার ক্লাবের মাধ্যমে একটি আবেগঘন বিবৃতি দিয়েছেন।
তিনি বলেন, আমার জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময় পার করছি। ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না, যা ঘটেছে তা মেনে নেওয়া আমার জন্য অত্যন্ত কষ্টসাধ্য। ২৫ বছর বয়সী এই গোলরক্ষক গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং দে মিগুয়েলের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, জেসুসের মৃত্যুতে আমি প্রচণ্ড কষ্ট পাচ্ছি। আমি তার কথা, তার পরিবার এবং তাকে যারা ভালোবাসতেন, তাদের কথা ভাবছি। আমি জানি, সামনে অনেক বিষয় আসবে; যা-ই আসুক না কেন, আমি পূর্ণ শ্রদ্ধার সঙ্গে তার মুখোমুখি হব।
বিবৃতির শেষে তিনি একটি আবেগপূর্ণ বার্তা দেন। তবে সত্যি বলতে, এই মুহূর্তে জেসুস এবং আমরা যে যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি, তা ছাড়া অন্য কিছু ভাবতেই পারছি না। শান্তিতে ঘুমান, জেসুস। এটি একটি দুর্ঘটনা ছিল, কিন্তু কল্পনা করুন, সারা জীবন তাকে কী পরিমাণ মানসিক আঘাত (ট্রমা) বয়ে বেড়াতে হবে!
জানা গেছে, এই মর্মান্তিক ঘটনার পর আপত্তিকর বার্তা পাওয়ার কারণে তিনি তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় করে দিয়েছেন। আন্দোরার সতীর্থ লাউতারো স্পাতজ তার সমর্থনে এগিয়ে এসেছেন। তিনি বলেন, যারা ওওনোকে চেনেন, তারা জানেন এই ঘটনায় তিনি কতটা গভীরভাবে মর্মাহত হয়েছেন। তিনি কখনোই ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে আঘাত করতে পারেন না।
স্প্যানিশ কর্তৃপক্ষ দে মিগুয়েলের মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু হয়েছে। অস্বাভাবিক মৃত্যুর ক্ষেত্রে এটি একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া। এরই মধ্যে ফুটবল বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে শোকবার্তা আসছে। খেলোয়াড়, ক্লাব এবং সমর্থকরা টেনেরিফের এই স্ট্রাইকারের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করছেন।
<p>..</p>
Copyright © 2025 All rights reserved ভোরের আলো